সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শৈশবকাল লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দ্রুত বীর্যপাত বন্ধের উপায়

যা করতে পারেন ১। দুজন মিলন করবেন- এই চিন্তা মাথায় ঢুকানোর পর শারীরিকভাবে প্রস্তুতি নিবেন। দাঁত মাজা, ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা, প্রাকৃতিক কাজ সেরে নেয়া ইত্যাদির মাধ্যমে। ২। সমস্ত কাজ সেরে দরজা জানালা ভাল করে বন্ধ করে তারপর পাশাপাশি শোয়ে পড়ুন। এখনো কাপড় খুলবেন না। গল্প করুন। চুমু দিন। দুজন দুজনের লজ্জাস্থানে আলতো করে হাত বুলান। বিশেষ করে স্বামীর অন্ডকোষে-পুরুষাঙ্গে, স্ত্রীর স্তনে। এভাবে ১০-১৫ মিনিট চলতে দিন। ৩। এবার উপরের জামা খুলে ফেলুন। একজন আরেকজনের ঠোঁট, জিহ্বা চুষতে থাকুন। গলা, গাল, বুক, পেট, পিঠ, হাতে চুমু দিতে থাকুন। চুমু আলতো করে দিবেন না। জিহ্বা দিয়ে ও ঠোঁটের ভিজা অংশ দিয়ে যেখানে চুমু দিবেন ভিজিয়ে দিবেন। এভাবে ১০-১২ মিনিট অতিক্রম করুন। ৪। এবার দুজন ফুল উত্তেজিত। কিন্তু এখনো ঢুকাবেন না। নিচের কাপড় খুলে ফেলুন। স্বামী স্ত্রীর উপর অথবা স্ত্রী স্বামীর উপর উঠে শোয়ে দুজন দুজনের ঠোঁট, গাল, জিহ্বা চুষতে থাকুন। এমন ভাবে শোবেন যেন লজ্জাস্থান দুজনের টাচ করে। এভাবে ৫-১০ মিনিট করুন। যতই যৌন উত্তেজনা লাগুক, ধৈর্য হারা হবেন না। আদর করতে থাকবেন। ৫। এবার ঢুকানোর পালা। পুরুষাঙ্গের গোড়া থেকে চে...

সন্তানের বন্ধু হয়ে যান

আপনার সন্তান আজ ছোট। কাল তো বড় হবে। বিবাহ করবে। ভাল করবে। খারাপ করবে। একজন মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কি যথেষ্ট? না। শারীরিক পরিবর্তন, যৌনতা, বিবাহ, সংসার, সন্তান লালন পালন ইত্যাদি বিষয়গুলো বন্ধুর মতো বিস্তারিত শিখিয়ে দিন। যে মা-বাবা সন্তানকে এভাবে শিখাবে সে সন্তান কখনো ব্যর্থ হবে না। প্রতিটি পদক্ষেপে সফল হবে। সন্তানদের সাথে বন্ধুত্বের পরিবেশ তৈরি করুন। একাধিক সন্তান হলে সবাইকে এক সাথে রেখে গোপন বিষয়গুলো আলোচনা করবেন না। যার যার বিষয় তার তার। আপনি আর আপনার সন্তান জানবে। প্রয়োজন বোধ করলে আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে জানান। একান্তে বসে আদর করে বন্ধুর মতো শিখাবেন। শুধু শিখাবেন না। সন্তানের রিয়েকশনও খেয়াল করবেন। সন্তানদের সাথে অতিরিক্ত রাগারাগি/বকাবকি করলে বন্ধুত্বের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। কোন ভুল করলে সাথে সাথে বকা শুরু করবেন না। অন্য কোন দিন প্রসঙ্গ তোলে বুঝাবেন।

কৈশোর বয়সে এগুলোর দিকে খেয়াল রাখা জরুরী

ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলো তোমরা অবশ্যই জানো, স্রষ্টা আমাদের পরীক্ষা করার জন্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আমাদের পরীক্ষায় পাশ করতে হবেই হবে। অন্যথায় রয়েছে লাঞ্চনা, শাস্তি। তোমার বাবা তোমাকে পরীক্ষার হলে প্রতিদিন নিয়ে যায় ও নিয়ে আসে। কিন্তু তুমি পরীক্ষার খাতায় কিছু না লিখে মোবাইলে গেইম খেলেছো। এটা যদি তোমার বাবার কানে যায় তখন তোমাকে শাস্তি দিবে না? ঠিক অনুরূপ স্রষ্টা আমাদের দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন পরীক্ষা করতে। আমরা পরীক্ষাতে অংশ না নিয়ে যদি অন্য কিছু করি তবে অবশ্যই আমরা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করছি। স্রষ্টার দেয়া পরীক্ষা হচ্ছে, সৎ থাকা, সৎ কর্ম করা, নির্দিষ্ট ইবাদত করা, সত্য বলা, মন্দ বিষয়াবলী থেকে বিরত থাকা, পিতা-মাতার কথা শুনা, বড়দের শ্রদ্ধা করা, ছোটদের স্নেহ করা, ভাল কাজ করা ইত্যাদি। স্রষ্টার পরীক্ষাগুলো সব আমাদের উপকারের জন্য। যত অশ্লীলতা, মন্দ বিষয় রয়েছে তা থেকে বাঁচতে ধর্মীয় বিধি-বিধান মেনে চলতে হবে।

সোস্যাল মিডিয়া, গেইম ও মোবাইল আসক্তি

সোস্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার সোস্যাল মিডিয়া হচ্ছে- সমাজের সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে নিয়ে গোল টেবিলে মিটিংয়ে (আলোচনা) বসার মত। ভেবে দেখো তো! যেখানে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ বসে আছে সেখানে তুমি এমন কোন আচরণ করবে, যা অনুচিত? নিশ্চয়ই করবে না। ঠিক সোস্যাল মিডিয়া (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) এমনই একটা প্লাটফরম, যেখানে সমাজের সকলেই সরব উপস্থিত। এখানে যাচ্ছেতাই করা আর সমাজের দশজনের সামনে করার মধ্যে কোন পার্থক্য নাই। উভয় অবস্থা-ই তোমাকে, তোমার রুচিবোধকে, তোমার চিন্তা-চেতনাকে উপস্থাপন করে। তোমাকেই রিপ্রেজেন্ট করে। সোস্যাল মিডিয়া বরং তোমাকে বারবার উপস্থাপন করতে থাকে। কারণ বাস্তব জীবনে তুমি একটি মন্দ শব্দ করলে সেটা শুধুমাত্র উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ একবার শুনবে। কিন্তু অনলাইন জগতে ভিডিও বা লেখা আকারে যখন একটা মন্দ বিষয় ছেড়ে দিবে তখন সেটা একবার নয় বারবার শুনতে/পড়তে পারবে। উপস্থিত লোক ছাড়া বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি অন্যরা দেখতে পায় না। কিন্তু সোস্যাল মিডিয়াতে তোমার পরিচিত-অপরিচিত, কাছের-দূরের, ছোট-বড় সবাই তোমার ব্যক্তিত্বকে পরখ করবে। সমাজে তোমার অবস্থানটা কেমন হবে সেটা সোস্যাল মিডিয়াও ঠিক করে দিবে।

শরীরের পরিবর্তনগুলো সম্পর্কে জানা কতটুকু জরুরী?

আমরা জন্মগ্রহণের পর একদমই অসাড়, অচল থাকি। ধীরে ধীরে পিতা-মাতা থেকে চলাফেরা শিখি, ভাষা শিখি। শিখি বৈশ্বিক আরো নানান চালচলন। অতঃপর কিছুটা বড় হলে স্কুলে যেতে শিখি। সেখানে শিখি আরো কত কি। আরেকটু বড় হই। বন্ধু-বান্ধব জুটে। তাদের সাথে হই-হুল্লোড় করি। ছোট ছোট কত অপরাধও বন্ধুদের নিয়ে করি।