যা করতে পারেন ১। দুজন মিলন করবেন- এই চিন্তা মাথায় ঢুকানোর পর শারীরিকভাবে প্রস্তুতি নিবেন। দাঁত মাজা, ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা, প্রাকৃতিক কাজ সেরে নেয়া ইত্যাদির মাধ্যমে। ২। সমস্ত কাজ সেরে দরজা জানালা ভাল করে বন্ধ করে তারপর পাশাপাশি শোয়ে পড়ুন। এখনো কাপড় খুলবেন না। গল্প করুন। চুমু দিন। দুজন দুজনের লজ্জাস্থানে আলতো করে হাত বুলান। বিশেষ করে স্বামীর অন্ডকোষে-পুরুষাঙ্গে, স্ত্রীর স্তনে। এভাবে ১০-১৫ মিনিট চলতে দিন। ৩। এবার উপরের জামা খুলে ফেলুন। একজন আরেকজনের ঠোঁট, জিহ্বা চুষতে থাকুন। গলা, গাল, বুক, পেট, পিঠ, হাতে চুমু দিতে থাকুন। চুমু আলতো করে দিবেন না। জিহ্বা দিয়ে ও ঠোঁটের ভিজা অংশ দিয়ে যেখানে চুমু দিবেন ভিজিয়ে দিবেন। এভাবে ১০-১২ মিনিট অতিক্রম করুন। ৪। এবার দুজন ফুল উত্তেজিত। কিন্তু এখনো ঢুকাবেন না। নিচের কাপড় খুলে ফেলুন। স্বামী স্ত্রীর উপর অথবা স্ত্রী স্বামীর উপর উঠে শোয়ে দুজন দুজনের ঠোঁট, গাল, জিহ্বা চুষতে থাকুন। এমন ভাবে শোবেন যেন লজ্জাস্থান দুজনের টাচ করে। এভাবে ৫-১০ মিনিট করুন। যতই যৌন উত্তেজনা লাগুক, ধৈর্য হারা হবেন না। আদর করতে থাকবেন। ৫। এবার ঢুকানোর পালা। পুরুষাঙ্গের গোড়া থেকে চে...
সোস্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার
সোস্যাল মিডিয়া হচ্ছে- সমাজের সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে নিয়ে গোল টেবিলে মিটিংয়ে (আলোচনা) বসার মত। ভেবে দেখো তো! যেখানে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ বসে আছে সেখানে তুমি এমন কোন আচরণ করবে, যা অনুচিত? নিশ্চয়ই করবে না। ঠিক সোস্যাল মিডিয়া (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) এমনই একটা প্লাটফরম, যেখানে সমাজের সকলেই সরব উপস্থিত। এখানে যাচ্ছেতাই করা আর সমাজের দশজনের সামনে করার মধ্যে কোন পার্থক্য নাই। উভয় অবস্থা-ই তোমাকে, তোমার রুচিবোধকে, তোমার চিন্তা-চেতনাকে উপস্থাপন করে। তোমাকেই রিপ্রেজেন্ট করে। সোস্যাল মিডিয়া বরং তোমাকে বারবার উপস্থাপন করতে থাকে। কারণ বাস্তব জীবনে তুমি একটি মন্দ শব্দ করলে সেটা শুধুমাত্র উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ একবার শুনবে। কিন্তু অনলাইন জগতে ভিডিও বা লেখা আকারে যখন একটা মন্দ বিষয় ছেড়ে দিবে তখন সেটা একবার নয় বারবার শুনতে/পড়তে পারবে। উপস্থিত লোক ছাড়া বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি অন্যরা দেখতে পায় না। কিন্তু সোস্যাল মিডিয়াতে তোমার পরিচিত-অপরিচিত, কাছের-দূরের, ছোট-বড় সবাই তোমার ব্যক্তিত্বকে পরখ করবে। সমাজে তোমার অবস্থানটা কেমন হবে সেটা সোস্যাল মিডিয়াও ঠিক করে দিবে।
সোস্যাল মিডিয়াতে করা প্রতিটি পোস্ট, কমেন্ট বা রিঅ্যাকশন যেন অর্থবহ হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে। কেউ একজন পোস্ট করল; তার আত্মীয় মারা গেছে, সেখানে হা-হা রিঅ্যাক্ট দিয়ে দিলে। এতটুকু কাজ মানুষের মনে কত বড় আঘাত করতে পারে সেটা উপলব্ধি সেই করতে পারবে যে মানসিকভাবে সুস্থ। এবার চিন্তা কর; যারা এর চেয়েও বড় বড় মন্দ কাজ মজার ছলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা অনিচ্ছাকৃতভাবে করে থাকে বা করে যাচ্ছে তারা কত বেশি মানসিক রোগে আক্রান্ত? এই বিকারগ্রস্থ লোকদের বিচরণ ও আচরণ মহামারীর মত ছোঁয়াচে। একজন এমন করলে আরেকজন করে। এভাবে সোস্যাল মিডিয়াতে সুস্থ চিন্তার মানুষ খুব কম সংখ্যকই থাকে।
সোস্যাল সাইটে করণীয়-বর্জনীয়
- নিজের নাম ব্যতিত অন্য ব্যক্তি বা বস্তুর নাম ব্যবহার করে সোস্যাল সাইটে আইডি খোলা হচ্ছে প্রথম অপরাধ। যা ফেইক বা ভূয়া আইডি হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকে। মূল নামের আগে-পরেও কিছু যুক্ত করা রুচিবোধের পরিচয় বহন করে না। যেমনঃ এঞ্জেল, প্রিন্স, রকম্যান ইত্যাদি।
- আইডিতে নিজের ছবি ছাড়া অপরিচিত অন্যের ছবি ব্যবহার করা বড় ধরনের অপরাধ। এটি সাইবার অপরাধ হিসাবেও বিবেচিত হয়ে থাকে, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- অপ্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনে ছবি, ভিডিও, লেখা পোস্ট করা বা কমেন্ট, লাইক দেয়া থেকে বিরক্ত থাকতে হবে।
- পড়ালেখা জাতীয় বা শিক্ষনীয় বিষয় পোস্ট করতে হবে। এ জাতীয় পেজে বা গ্রæপে যুক্ত থেকে সোস্যাল সাইটেও পড়ালেখার কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
- একাধিক আইডি ব্যবহার করাও মন্দ বিষয়।
- সোস্যাল সাইটে বন্ধু হিসাবে অপরিচিত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে রাখা খুবই বোকামী।
- খারাপ, অশ্লীল বা এ জাতীয় পেজ, গ্রæপ বা ব্যক্তির আইডি ফলো করা বা তাতে যুক্ত থাকা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- মন্দ, ভূয়া, ঘৃণা ছড়ায় এমন বক্তব্য, লেখা, পোস্ট, খবর, তথ্য, ছবি ইত্যাদিতে লাইক করা, কমেন্ট করা, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- কোন ধর্মকে হেয় করে এমন পোস্ট করা বা অন্যের করা পোস্টে লাইক, কমেন্ট করা বা ছড়িয়ে দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এসব বিষয় সমাজে বিশৃঙ্খলা বয়ে আনে।
- কারো কমেন্ট বক্সে গালাগালি বা অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করা খুবই কুরুচিপূর্ণ বিষয়।
- সামাজিক, রক্ত দানের, ব্যবসায়িক, শিক্ষনীয়, উদ্ভাবনী, ভ্রমণ, খেলাধুলা ইত্যাদি গ্রæপ, পেজে যুক্ত থেকে নিজের মেধাকে আরো শানীত করতে হবে।
- সোস্যাল সাইটে নিজ পরিবার বা আত্মীয়-স্বজনদের ছবি শেয়ার না করাই শ্রেয়। বিশেষ করে পরিবারের যারা মেয়ে সদস্য তাদের ছবি। এতে বø্যাক মেইলিং এর শিকার হওয়ার ও হয়রানীর সুযোগ সৃষ্টি হয়। অনেকেই এর ভুক্তভোগী।
- নিজের বা পরিবারের অন্তরঙ্গ ছবি সোস্যাল সাইটে (প্রাইভেসি কন্ট্রোল করে হলেও) শেয়ার দেয়া তো দূরের কথা নিজের মোবাইলেও রাখার চিন্তা করা যাবে না। যত ঘনিষ্ট জন হোক না কেন সোস্যাল সাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত মেসেজ হিসাবেও এসব কাউকে সেন্ড করা যাবে না। নেট দুনিয়ায় কারো তথ্য-ই নিরাপদ নয়।
- নিজেকে নেট দুনিয়ায় ভাইরাল করার মানসিকতা থাকলে এখনি তা ঝেড়ে ফেলতে হবে। এসব অসুস্থ চিন্তার ফলাফল।
- লাইক কমেন্ট প্রত্যাশী হওয়া বিকৃত চিন্তার ফল। বিকৃত এমন চিন্তা থেকেই এমন এমন সব কর্ম করছে (একটু বেশি লাইকের আশায়), অবশেষে পঙ্গুত্ব বা মৃত্যুকে বরণ করে নিতে হয়।
- সোস্যাল সাইটে দেয়া প্রতিটি ছবি, ভিডিও বা লেখনী হতে হবে মার্জিত, রুচিশীল ও আভিজাত্যের পরিচায়ক। মনে রাখবে, মার্জিত বিষয়াবলী হচ্ছে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এগুলো ভাইরাল হবে না। যেমনঃ কোন এক ব্যক্তির গাভীর বাছুর দুই পা নিয়ে জন্ম নিল। সেই খবর জাতীয় পত্রিকা ও জাতীয় টেলিভিশনের খবরেও মাঝে মাঝে ছড়িয়ে যায়। এবার চিন্তা কর তো, সেই সব গাভীর বাছুরদের কথা, যেসব বাছুর সুস্থ ও স্বাভাবিকতা নিয়ে জন্ম নিয়েও খবরে আসতে পারলো না! খবরে আসতে হলে তোমাকে প্রতিবন্ধী হতে হবে। স্বাভাবিক বিষয়াবলী ভাইরাল হয় না। প্রতিবন্ধী টাইপ পোস্ট করবে দেখবে খবর হবে, ভাইরাল হবে। সুস্থ চিন্তার কেহ অন্যের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য প্রতিবন্ধী টাইপ কিছু করতেও চায় না।
- সোস্যাল সাইটে এমন কিছু প্রচার কর, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি হলেও উপকৃত হয়। তোমাকে পুরো দেশবাসীর উপকার করতে হবে না।
- সোস্যাল সাইটে রাজনৈতিক বিদ্বেষ একদমই প্রচার করা যাবে না। ধর্ম বা রাজনীতি এগুলো যার যার ব্যক্তিগত পছন্দ। এগুলো সোস্যাল সাইটে ছড়িয়ে মানবতাকে ছোট করা যাবে না। বিদ্বেষ মানবতার শত্রæ। আর মানবতা পরম আদরনীয় বিষয়। ধর্ম বা রাজনীতির জন্য মানবতাকে ঠেলে দেয়া যাবে না।
- সবচেয়ে বড় কথা, সোস্যাল মিডিয়াসক্তি মাদকের মত-ই আসক্তি। নেট দুনিয়া থেকে যত দূরে থাকা যাবে তত-ই মঙ্গল। বাস্তব জীবনে বন্ধু বাড়াও। পিতা-মাতার সাথে, ভাই-বোনদের সাথে অবসর সময় কাটাও। তাদের সাথে শিক্ষনীয় বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা কর। মেধা বিকাশের জন্য উপকার হবে। নেট দুনিয়ায় কেউ কারো নয়। এটি একটি প্রতারণার মিডিয়া।
মোবাইল আসক্তি ও গেইম
যারা সারাদিন মোবাইলে গেইম খেলতে থাকো, নিজেকে কি একবার প্রশ্ন করেছো যে, কী করছি আমি? যে মা শিশুকালে তোমাকে কোলে পিঠে করে বড় করেছে সেই মা যখন বলছে, একটু বাজারে যাও বা একটু ওই কাজটা করে দাও তখন তুমি গেইমে মাথা গুঁজে রেখেই চিৎকার চেচামেচি করে জবাব দিয়ে দিচ্ছো, তুমি পারবে না! তুমিই বলেতো এটা মানসিক সমস্যা নয়? বিকৃত মস্তিষ্কের নয়? গেইম কতক্ষণ খেলা যায়? এক ঘন্টা, দুই ঘন্টা? তাই বলে সারাটা দিন মোবাইল আর গেইম নিয়ে পড়ে থাকা এটা তো পাগলের লক্ষণ। যে তার সময় সম্পর্কে উদাসিন সে তো পাগল ছাড়া আর কিছু না।
এ সংক্রান্ত আরো পড়ুন
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন