সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দ্রুত বীর্যপাত বন্ধের উপায়

যা করতে পারেন ১। দুজন মিলন করবেন- এই চিন্তা মাথায় ঢুকানোর পর শারীরিকভাবে প্রস্তুতি নিবেন। দাঁত মাজা, ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা, প্রাকৃতিক কাজ সেরে নেয়া ইত্যাদির মাধ্যমে। ২। সমস্ত কাজ সেরে দরজা জানালা ভাল করে বন্ধ করে তারপর পাশাপাশি শোয়ে পড়ুন। এখনো কাপড় খুলবেন না। গল্প করুন। চুমু দিন। দুজন দুজনের লজ্জাস্থানে আলতো করে হাত বুলান। বিশেষ করে স্বামীর অন্ডকোষে-পুরুষাঙ্গে, স্ত্রীর স্তনে। এভাবে ১০-১৫ মিনিট চলতে দিন। ৩। এবার উপরের জামা খুলে ফেলুন। একজন আরেকজনের ঠোঁট, জিহ্বা চুষতে থাকুন। গলা, গাল, বুক, পেট, পিঠ, হাতে চুমু দিতে থাকুন। চুমু আলতো করে দিবেন না। জিহ্বা দিয়ে ও ঠোঁটের ভিজা অংশ দিয়ে যেখানে চুমু দিবেন ভিজিয়ে দিবেন। এভাবে ১০-১২ মিনিট অতিক্রম করুন। ৪। এবার দুজন ফুল উত্তেজিত। কিন্তু এখনো ঢুকাবেন না। নিচের কাপড় খুলে ফেলুন। স্বামী স্ত্রীর উপর অথবা স্ত্রী স্বামীর উপর উঠে শোয়ে দুজন দুজনের ঠোঁট, গাল, জিহ্বা চুষতে থাকুন। এমন ভাবে শোবেন যেন লজ্জাস্থান দুজনের টাচ করে। এভাবে ৫-১০ মিনিট করুন। যতই যৌন উত্তেজনা লাগুক, ধৈর্য হারা হবেন না। আদর করতে থাকবেন। ৫। এবার ঢুকানোর পালা। পুরুষাঙ্গের গোড়া থেকে চে...

বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই উত্তম আচরণের চর্চা করতে হবে

তোমরা হয়তো রাস্তাঘাটে কতক লোককে প্রস্রাব করতে দেখেছো। দাঁড়িয়ে কি বসে, শিক্ষিত কি অশিক্ষিত, যেখানে সেখানে প্রস্রাব করতে শুরু করে। এরা এতটাই বিশ্রীভাবে এই কাজ করে যে, অনেক সময় হেঁটে যাওয়া অন্য মানুষটির জন্য লজ্জাকর হয়ে দাঁড়ায়। আমি এমন এক ব্যক্তিকে ভিক্ষা করতে দেখেছিলাম যিনি ভিক্ষা করছে শুধুমাত্র যেখানে সেখানে প্রস্রাব করার অপরাধে। সে কোন একদিন রাস্তার ধারে জলাশয়ে প্রস্রাব করতে বসে যায়। যখনি প্রস্রাব পানিতে গিয়ে পড়ল ওমনি সে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে যায়। এখন দোকানে/ রাস্তা ঘাটে “লুঙ্গি তুলে দেখাচ্ছে” আর চিকিৎসার জন্য টাকা ভিক্ষা করছে। একটি ভাল অভ্যাস জীবনকে কী দিচ্ছে তা চোখে দেখা যায় না। কিন্তু একটি বাজে অভ্যাস জীবন থেকে কী কেড়ে নিচ্ছে তা স্পষ্ট দেখা যায়। কত মানুষ রাস্তায় প্রস্রাব করার কারণে কান ধরে উঠবস করেছে, ৫০০ টাকা জরিমানা দিয়েছে, পিটুনি খেয়েছে। এমনও হয়েছে রাস্তায় প্রস্রাব করতে বসেছে আর পাশেই একটি কুকুর এসে প্রস্রাব করছে। এতে কী দাঁড়ালো? ওই কুকুরটি আর ওই ব্যক্তিটির মধ্যে কোন পার্থক্য রইলো না। তোমরা এই বয়স থেকেই অভ্যাস কর যে, কখনো খোলা স্থানে প্রস্রাব করবে না। নির্দিষ্ট স্থা...

বয়ঃসন্ধিকালে করণীয়

ছেলে বা মেয়েরা যখন বয়ঃসন্ধিতে পদার্পণ করে তখন অনেক অভিজ্ঞতার সম্মুখিন হতে হয়। যেমনটি পূর্বের পোস্টগুলোতে উল্লেখ করেছি। কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেলে সেই লক্ষণের সাথে সাথে কিছু দায়িত্ব অর্পিত হয়ে যায়। যা একান্ত নিজেকেই করতে হয়। আবার কিছু লক্ষণ শুধু প্রকাশই হয়। এতে কোন দায়িত্ব বা করণীয় বর্তায় না। দায়িত্ব বর্তায় এমন কিছু লক্ষণ ও লক্ষণ প্রকাশ পেলে করণীয় কী, সে বিষয়ে বিস্তারিত এখানে বলছি।

বয়ঃসন্ধিকালের খাবার-দাবার

বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে-মেয়ে উভয়ের শরীর পরিপক্কতা অর্জন করতে থাকে। বয়ঃসন্ধি শেষ হয়ে গেলে শরীরের যে গ্রোথ তা আর হয় না। তাই ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত বিশেষ করে মাসিক ও স্বপ্নদোষ চলাকালিন সময়গুলোতে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। 

মাসিক কী ও কেন হয়?

মেয়েদের ৯-১২ বছরের মধ্যে অথবা কখনো এর বেশি সময় পর থেকে প্রতি মাসে প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে রক্ত যায়। এটিকে মাসিক/হায়েজ/পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব বলে। প্রথমবার যখন হয় প্রত্যেকটি কিশোরী অসতর্ক থাকে। কিছুই জানে না। ভয় পেয়ে যায়। এটি একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বিষয়।

স্বপ্নদোষ কী ও কেন হয়?

ছেলেরা যখন বয়ঃসন্ধিতে পা রাখে বেশিরভাগ কিশোর এক নতুন অভিজ্ঞতার শিকার হয়। তা হচ্ছে- মধ্যরাতে ঘুম ভাঙ্গে ঠান্ডা পানির স্পর্শে। ভাল করে চেক করে দেখে তার পরনের প্যান্ট/লুঙ্গি ভিজা। হঠাৎ নিজে নিজে লজ্জায় লাল হয়ে যায় যে, বিছানায় প্রস্রাব করে দিয়েছে ভেবে। এভাবে কয়েকবার হওয়ার পর বুঝতে পারে যে, নাহ্ এগুলো প্রস্রাব নয়। এবার মনে কৌতুহল জাগে কিন্তু এর উত্তর খুঁজে পায় না।

বয়ঃসন্ধিকালে আমাদের চারপাশ

আমাদের সমাজে বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীদের দৈহিক পরিবর্তন সম্পর্কে কিছুই শিখানো হয় না (খুব কমসংখ্যক পরিবার শিখিয়ে থাকেন)। পরিবার এক্ষেত্রে লজ্জায় মরে মরে। ছোট্ট কিশোর মনের অস্থিরতাকে ছাই চাপা দিয়ে রাখা হয়। কিশোর জানে না কেন তার সাথে এমন হচ্ছে? কেন তার বিছানায় আঠালো পানি ঢালা হয়েছে? সে লজ্জায় লাল হয়ে যায় এই ভেবে যে, পরিবারের কেউ না দেখে/জেনে ফেলে। একজন কিশোরী মাসিকের শুরুর দিকের সময়ে জানতে পারে না কেন তার লজ্জাস্থান দিয়ে রক্ত যাচ্ছে। তাকে ভয়ে দুদিন চুপ করে থাকতে হয়। পরবর্তীতে হয়তো কেউ খেয়াল করে বলে দেয়। কিন্তু উচিৎ হচ্ছে- কিশোরী মনের সেই ভয় পাওয়ার আগেই সেই সম্পর্কে তাকে সব বিষয় বলে দেওয়া ও তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করা।

বয়ঃসন্ধি কি, কখন শুরু হয় ও লক্ষণসমূহ

ছোট একটি শিশু যখন জন্ম নেয় তখন তার মধ্যে কিছুই থাকে না। সে কেবলই নবযাতক। সে নতুন একটি শিশু। কিন্তু এই শিশুপনা বেশিদিন থাকে না। ধীরে ধীরে শিশুটি বড় হতে থাকে। বড় হতে থাকে তার বাহ্যিক ও অভ্যান্তরিণ সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। একটি শিশুর হাত বা পা বড় হওয়ার সাথে সাথে বড় হয় তার লজ্জাস্থান। যাকে প্রজনন যন্ত্রও বলা যেতে পারে। প্রজনন যন্ত্র প্রজনন কার্যে ধীরে ধীরে উপযুক্ত হতে থাকে। এই সময়টাকেই বয়ঃসন্ধি বলে।

শরীরের পরিবর্তনগুলো সম্পর্কে জানা কতটুকু জরুরী?

আমরা জন্মগ্রহণের পর একদমই অসাড়, অচল থাকি। ধীরে ধীরে পিতা-মাতা থেকে চলাফেরা শিখি, ভাষা শিখি। শিখি বৈশ্বিক আরো নানান চালচলন। অতঃপর কিছুটা বড় হলে স্কুলে যেতে শিখি। সেখানে শিখি আরো কত কি। আরেকটু বড় হই। বন্ধু-বান্ধব জুটে। তাদের সাথে হই-হুল্লোড় করি। ছোট ছোট কত অপরাধও বন্ধুদের নিয়ে করি।